Sunday, October 6, 2013

একজন সফল ব্লগার হতে হলে কি কি বিষয় সম্পর্কে বিবেচনা করতে হয় ।

অনলাইনে কোটি কোটি ওয়েব সাইট আছে যেগুলো প্রোডাক্ট বিক্রি বা এফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাড থেকে বিভিন্ন ভাবে আয় করে চলেছে এবং এগুলো প্রতিটিই ভিজিটরের জন্য প্রতিযোগিতা করে চলেছে । আবার কেউ কেউ একই ভিজিটরের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত । এত প্রতিযোগিতার ভিতর কাঙ্খিত ফলাফল কি করে পাওয়া যাবে ? এই প্রশ্নের জবাবে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাক্তি বলেছিল যে তাদের ওয়েব সাইট আছে । যদিও ওয়েবসাইট থাকা আর মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট থেকে আয় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস । একটি ওয়েবসাইট হল কতকগুলো ডকুমেন্ট, ছবি এবং ইলেক্ট্রনিক্স ফাইলের সমাহার যা সাধারণের ব্যাবহারের জন্য । আর ইন্টারনেট মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট এর পাঠক সংখ্যা বাড়াতে হয় । আর আমরা জানি যত বেশি ভিসিটর তত বেশি আয় । ব্লগ থেকে আয় করার পূর্বে মানে যখন আপনি ব্লজ্ঞিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনটি জিনিস মাথায় রেখে ব্লগিং শুরু করতে হয় .........
ক) ভিসিটরদের ব্লগের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানো ।
খ) তাদেরকে উৎসাহিত করা প্রোডাক্ট কিনতে, যদি আপনি ব্লগিং এর সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান ।
ঘ) ভিসিটর যাতে ব্লগে আবার ফিরে আসে সেই ব্যাবস্থা করা ।
একটা ব্লগ থাকা খুবই ভালো কথা কিন্তু এটা অর্থহীন যদি কেউ সেই ব্লগ সম্পর্কে না জানে বা সেই ব্লগের কোন পাঠক না থাকে । এখানে আমি ব্লগিং এর শুরুটা কিভাবে করা যেতে পারে সেটা নিয়ে একটু বলবো । আসলে এত এত জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে হয় যেটা লিখে ফেললে ১০০ পেজের একটা বই হয়ে যাবে । যা হোক আমরা মেইন জিনিসগুলো নিয়ে একটু ঘাঁটি । ব্লগ করার সময় তিনটে জিনিস মনে রাখতে হয় –
১। ব্লগের উদ্দেশ্য কি
২। টার্গেট মার্কেটের চাহিদা
৩। প্রোডাক্ট
সুতারাং উদ্দেশ্য, টার্গেট মার্কেট এবং প্রোডাক্ট – এই তিনটে জিনিসকে আবর্ত করেই ব্লগিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং । উপরের তিনটে জিনিসকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে পারলে ব্লগ থেকে আয়ের পরিমান বেড়ে যায় ।
উদ্দেশ্যঃ
ব্লগ বানানোর পূর্বে অবশ্যই ব্লগের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে ।নিজের কাছে নিজে ব্লগের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করুন “আমার ......ব্লগের উদ্দেশ্য কি?” নিজে ব্লগের Objective নির্ধারণ করে তারপর অন্যদের প্রশ্ন করুন । ফেসবুকে ও প্রশ্ন করুন । মাথা ঘামিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টিকোণ দিয়ে ব্লগকে পর্যবেক্ষণ করুন । কোন শ্রেণীর মানুষদের উপকার হবে এই ব্লগ থেকে, ব্লগের সুফল ও কুফল খুঁজুন । কি উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার ব্লগটি যাত্রা শুরু করবে ? এটা কি শুধু মাত্র শখেরবশে নাকি মানুষের উপকারের জন্য নাকি শুধু টাকা আয় করার জন্য ? কক্ষনো টাকা আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগি করবেন না, আপনার চিন্তা থাকবে শুধু মানুষের উপকার করা, তাহলেই আপনার টাকা উপার্জন হবে । যা হোক কয়েকটি সাধারণ উদ্দেশ্য হল –
১। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি
২। প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপন করা
৩। অ্যাড থেকে আয়
উপরে আমরা শুধু প্রাথমিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছি এবং এবার দ্বিতীয় দফায় কিছু জিনিস বিবেচনা করবো এবং একটা ব্লগ থেকে ভালো মানের আয় করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
১। ব্লগ এস, ই, ও এর উপযোগী করে ডিজাইন এবং ডেভেলপ করতে হবে
২। ব্লগে ভাইরাল মার্কেটিং এলিমেন্ট থাকবে, যেমন ধরুন, অনেক বড় এবং খুবই উপকারী কয়েকটি পোস্ট ।
৩। ব্লগের বিষয়বস্তু গুলোকে ভিসিটরের চোখের সামনে রাখতে হবে যেন পাঠককে কোন বিষয় খুঁজতে কষ্ট করতে না হয় কারন অনলাইন পাঠক খুবই অলস ।
টার্গেট মার্কেট বা পাঠক নির্বাচনঃ
ব্লগটা পাঠকের উপর নির্ভর করে সাজাতে হবে কারণ বিভিন্ন পাঠকের রুচি বিভিন্ন । পাঠকের রুচি, বয়স, পুরুষ বা মহিলা বা উভয়ই যে কোন একটা ধরনের পাঠক নির্বাচন করতে হবে, এতে করে ব্লগ মার্কেটিং করতে সুবিধা হবে এবং আয় ও বাড়বে । যেমন ধরুন – আপনি “স্কিন ভালো রাখার মেডিসিন” নিয়ে আপনার ব্লগ লিখবেন তাহলে আপনার টার্গেট পাঠক থাকবে মহিলারা, তবে এক্ষেত্রে ৩৫+ মহিলারা থাকবে আপনার টার্গেট ভিসিটর কেননা ৩৫ বছর এর পর স্কিনে একটু সমস্যা দেখা দেয় । তবে ব্লগিং করার সময় পাঠকের –
১। চাহিদা
২। প্রয়োজনীয়তা
৩। এক্সপেক্টটেশন
বুঝে ব্লগে লিখতে হবে । পাঠক যেন ব্লগ পড়ে মুগ্ধ হয়ে যায়, আর মানুষ ভালো কিছু অন্য মানুষকে জানাতে চায় আর এই ভাবে ভালো বিষয় সোশ্যাল সাইট এ ভাইরাল হয়ে যায় মানে সবার মুখে মুখে থাকে ।
প্রোডাক্ট বা সার্ভিসঃ
ব্লগের বিসয়বস্তুর উপর নির্ভর করে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমট করা যেতে পারে । যেমন –
১। বই
২। যদি ট্রাভেল ব্লগার হলে হোটেল, এয়ার লাইন
৩। টেকনোলজি ব্লগাররা গ্যাজেট
৪। সফটওয়্যার ব্লগাররা সফটওয়্যার
ইত্যাদি ।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান (SEO) কেন শিখবেন?

এই পোস্টটি মূলত ওয়েব ডেভলপার বা ওয়েবসাইট এর মালিকদের জন্য করা হলেও যারা ফ্রিল্যান্সিং-এ আগ্রহী তারাও এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন যে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিষয় এর মধ্যে এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ন আর কেন সকল ক্ষেত্রেই এসইও-এর অন্তত প্রাথমিক ধারনা থাকা প্রয়োজন। অনেক ওয়েবসাইটের মালিকেরা তাদের সময় স্বল্পতার কারনে তাদের সাইটের এসইও অন্য কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে করিয়ে নেন। ফলে নিজে এসইও অজানা থাকায় নানা সমস্যায় পড়তে হয়। যদি একান্তই আপনার সময়ের অভাব থাকে তাহলে এসইওর সবকিছু না জানলেও এসইও কিভাবে কাজ করে, কিভাবে করা হয়, এসইও করার সঠিক উপায় গুলো কি ইত্যাদি সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা থাকা উচিত। আসুন দেখে নেওয়া যাক কেন আপনার এসইও শেখা প্রয়োজনীয়।

এসইও কোয়ালিটিতে ঠকতে হয় না

ধরি, আপনি টাকা দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট এর এসইও করিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু যার কাছ থেকে এসইও করিয়ে নিচ্ছেন সে সঠিকভাবে এসইও করছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? কিছু ট্রিক আছে যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট কিছু সময়ের জন্য হয়তো সার্চ ইন্জিন এর কাছে জনপ্রিয় হতে পারে কিন্তু কিছুদিন পরই হয়তো আপনার র্যাং ক কমে যাবে সেই ভুল ট্রিক এর জন্য। তাই সঠিকভাবে এসইও করার সম্পর্কে যদি আপনার ধারনা থাকে তাহলে সেই এসইও-র কাজগুলো দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে কি-না। তাই খারাপ কোয়ালিটির এসইও সার্ভিস এর হাত থেকে বাচতে আপনাকে অবশ্যই এসইও এর প্রাথমিক ধারনা রাখতে হবে।

আপনার ও এসইও প্রোভাইডার এর মধ্যে ভালো যোগাযোগ হবে

আপনি যদি এসইও একেবারেই না জানেন তাহলে কাজটি কিভাবে সম্পন্ন হবে তা নি যে এসইও প্রোভাইডারএর সাথে আলোচনায় আপনার কাছে অনেক কিছুই দুর্বোদ্ধ মনে হতে পারে। এসইও মোটামুটি শিখতে পারলে এই সমস্যাটি আর থাকবে না। আপনি আপনার চাহিদার কথা প্রেভাইডারকে যেমন সহজই বলতে পারবেন তেমনি এসইও প্রভাইডারের পক্ষেও তার কাজের অবস্থান আপনাকে সহজেই বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। যেমন: একজন যতই এসইও এক্সপার্ট হোন না কেন এসইও তে সফলতা পেতে কিছু সময় লাগতে পারে কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়টি না জানেন তাহলে বেশি সময় লাগাটাকে তার ব্যার্থতা হিসেবে ধরে নিয়ে তার কাজের কোয়ালিটি সম্পর্কে খারাপ ধারনা পোষন করবেন। কিন্তু এই সময় লাগাটা একটি সাধারন ব্যাপার তা যদি আপনি আগে থেকেই জানতেন তাহলে এই ভুল বোঝাবুঝি হতো না।

আপনার ওয়েবসাইটএর আরও উন্নতি করতে পারবেন

কিছু কিছু ওয়েবসাইট-এর জন্য ফুল টাইম এসইও এক্সপার্ট নিয়োগ দেওয়া থাকে কিন্তু সব সাইটের ক্ষত্রে তা সম্ভব না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাইটের এসইও করার কাজ শেষ হওয়ার পর আপনার আর কিছুই করার থাকে না। কিন্তু আপনি যদি এসইওর নিয়ম কানুন জানেন তাহলে আপনার সাইটটি আপডেট করার সময় সাধারন পরিবর্তনগুলো আপনি নিজেই সেরে নিতে পারেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। এতে আপনার সাইটটি আপনার মনের মতো করতে পারবেন ও কিছু অতিরিক্ত খরচও কমে যাবে।

ওয়েব ডেভলপিংএ-ও সাহায্য করবে

আপনি যদি আপনার নিজের সাইট নিজেই ডিজাইন করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রেও এসইও আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। এসইওর নিয়ম অনুযায়ী আপনি আপনার ডিজাইন ও কোডগুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে পারলে তা সার্চ ইন্জিনের কাছেও অনেক ভালো সাইট হিসেবেই গন্য হবে। আর আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভলপার হয়ে থাকেন তাহলেও এসইও আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার বিস্তারে সাহায্য করবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি আপনার সফলতার সম্ভাবনাও তত বেড়ে যাবে।

১১ টি প্রশ্ন, যা আপনাকে আপনার ব্লগের পাঠক বা ভিসিটর খুঁজতে সাহায্য করবে

আপনি ব্লগিং শুরু করেছেন এবং আপনি ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে চান অথবা আপনার অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে তবে এই ব্লগ আপনার জন্য । এখানে ব্লগিং থেকে আয় করার শীর্ষ উপায় গুলো পোষ্ট করা আছে । একটা সফল ব্লগ তৈরি করতে গেলে দরকার ২ টি জিনিস,
১. ভালো ভালো লেখা ব্লগে পোষ্ট করা, অবশ্যই কপি-পেস্ট হবে না ।
২. ব্লগের জন্য ভালো পাঠক (ভিসিটর )

এই ২ টি জিনিস করতে পারলে ব্লগ থেকে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করা কোন ব্যাপারই না ।

আপনার পাঠককে জানুন
পাঠককে সাহায্য করার আগে আপনার জানা দরকার, আপনার পাঠক কারা ! আপনাকে খুব ভালোভাবে আপনার পাঠককে বুজতে হবে, রিসার্চ এবং প্লান করে এবং ব্লগ শুরু করার পর তাদের সাথে কথা বলে আপনি আরও শিওর (নিশ্চিত) হয়ে নিন যে আপনার প্লান এবং রিসার্চ সঠিক আছে এবং আপনি সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছেন ।
আপনার ব্লগের পাঠক কে ভালো করে জানতে নিচের প্রশ্ন গুলো করুন ...
১. তারা কি বিশ্বাস করে ?
২. তারা কোথায় বাস করে ?
৩. তারা কি শিখে / কোথা থেকে শেখে ?
৪. তারা কোথায় যেতে চায় (তাদের কাজের মধ্য দিয়ে) ?
৫. তাদের প্রয়োজনীয়তা কিসের ?
৬. তাদের বয়স কত ?
৭. তারা কিসে আনন্দ পায় ?
৮. তারা কিসে কষ্ট পায় ?
৯. তারা কি ঘৃণা করে ?
১০. তারা কতটা কঞ্জারভেটিভ ?
১১. তারা কি চায় ?

ফ্রিল্যান্সিং এবং ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার বিষয়ক

বর্তমান যুগের সবচেয়ে আলোচিত পেশাটির নাম ফ্রিল্যান্সিং। চাকরি জীবনের বন্ধনী থেকে আধুনিক তরুণ সমাজ মুক্তি চায়। তাই অনলাইনে তারা গড়ে নিচ্ছে নিজেদের ক্যারিয়ার। ‘ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার’ বর্তমান সময়ে তরুণদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দেশেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পুরোপুরি বদলেছেন অনেকেই ৷ এই তো ক’বছর আগেও আমাদের দেশের তরুণদের খুঁজেই পাওয়া যেত না আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে। কিন্তু গত তিন বছরে ওডেস্কে বাংলাদেশ রয়েছে শীর্ষ তিনে। নিজ ঘরে বসে কাজ করছে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। আর স্বাভাবিকভাবেই তাদের আয়ের পরিমাণটাও বেশি। কারণ ঐসব দেশে শ্রমের বিনিময় মূল্য আমাদের দেশ থেকে কয়েক গুণ বেশি। একই দক্ষতা নিয়ে দেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে যে বেতন পেতো, বাইরে কাজ করার কারণে হয়তো এর ১০ গুণ পর্যন্ত পাচ্ছে। কাজের সময়, সিডিউল নিজের মতো করে পরিবর্তন করে নিচ্ছে। মানতে হচ্ছে না, সকাল-সন্ধ্যা বাধ্যতামূলক অফিস টাইম, ড্রেস কোড। শুনতে হচ্ছে না বসের বকা-ঝকা।
এই বছর ওডেস্ক থেকে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা আয় করেছেন ১২ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর নভেম্বর মাসেই সফটওয়্যার, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং আইটি বিভাগে ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ৫৭ হাজার ঘন্টা কাজ করেছেন! তাছাড়া, বর্তমানে বাংলাদেশে ইল্যান্সেই নিবন্ধিত রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ফ্রিল্যান্সার।
২০১২ তে ইল্যান্স.কম-এ প্রায় ১১ হাজার কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা নিয়োগ পেয়েছেন, যা তার আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এ পর্যন্ত ইল্যান্স থেকে বাংলাদেশে আয় ৫.৬ মিলিয়ন ডলার (গত ৭ মাসেই এসেছে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন)। এটি সত্যিই আশা ব্যঞ্জক আর বিশাল এ সংখ্যার জন্য ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতেও বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের বেশ ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখে অনেক তরুণ বেশ আগেই কাজ শুরু করেছিলো। তাদের মধ্যে অনেক আজ সফল ফিল্যান্সার। বাংলাদেশে সফল ফিল্যান্সারের সংখ্যা একেবারে কম নয়। যারা শুধু সফলতার সাথে মার্কেটপ্লেসে কাজই করেনি বরং কুড়িয়ে এনেছে দেশের সম্মান। তাদের আহবানেই বিশ্বের নামকরা মার্কেটপ্লেস Odesk.com এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাট কুপার দু-দুবার বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন। শুধু তাই নয়, আরও এসেছে Freelancer.com, elance.com, 99design.com এর প্রতিনিধিরাও।
গণমাধ্যম সহ নানা জায়গায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা শুনে অনেকেরই আগ্রহ তৈরি হচ্ছে মুক্ত পেশাদার হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে।

Google প্রতি সেকেন্টে কত টাকা আয় করছে ?

আমরা জাণি, Google  বিশ্বের মধ্য এক নম্বর Search Engine ।আমরা  যেকোন সমস্যার সমাধান অতি সহজে পেয়ে যাই Google Search Engine থেকে এবং  Google  Job বিশ্বের মধ্য সবচে উন্নত  Job বলে পরিচিত ।
আর সেই Google প্রতি  সেকেন্টে কত টাকা আয় করছে আমাদের মাধ্যমে  তা আমরা নিজেও জানিনা ।
আজ জেনে নেই ।

প্রতি  সেকেন্টে =$ 33.33333333     [ প্রতি $ = 78 টাকা  ]  তাহলে 78*33.33333333=2600টাকা

প্রতি  মিনিট   =$ 2,000                    [ প্রতি $ = 78 টাকা  ]   তাহলে 78*2000              =156000টাকা

প্রতি  ঘন্টা      =$ 120,000               [ প্রতি $ = 78 টাকা  ]   তাহলে 78*120000          =9360000টাকা

প্রতি  দিন       =$2880000              [ প্রতি $ = 78 টাকা  ]   তাহলে 78*2880000        =224640000টাকা

প্রতি মাসে কত ?                    এখোন আপনারা বের করুন।
বিশ্বাস না হলে proof দেখুন । নিচে
সূএঃ 1  
2
3
আপনারা এমন কিছু তৈরী করার চিণ্তা করুন যার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও অনলাইনে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আনতে পারে ।

মজার মজার কিছু গুগল ট্রিকস

সবাই আশা করি ভাল আছেন। আজকে কিছু মজার মজার গুগল ট্রিকস নিয়ে আলোচনা করব। অবশ্য এখানে শিক্ষামূলক তেমন কিছুই নাই! গুগলে সার্চ বক্সের পাশে I’m feeling Lucky বা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটা নিশ্চয়ই দেখছেন। কিন্তু মনে হয় এটা নিয়া বেশি ঘাটাঘাটি করেন নাই। এই ঘাটাঘাটির কিছু ফল আজকে আমি আপনাদের দেখাবো। চলুন তাহলে দেখে নিই ঘাটাঘাটির কীরূপ ফল পাওয়া যায়।
1. Google Gravity
প্রথমে https://www.google.com/ এ যান, তারপর টাইপ করুন Google Gravity এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। নিচের চিত্রে দেখুনঃ



তারপর দেখুন মজা। গুগল যেন মধ্যাকর্ষণ শক্তি হারিয়ে ভেঙ্গে পড়ছে।
2. Epic Google
প্রথমে https://www.google.com/ এ যান, তারপর টাইপ করুন Epic Google এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। তারপর সবকিছু যেন খালি বড়ই হতে থাকবে, এই বড় হওয়ার মনে হয় আর শেষ হবে না!
3. Google Loco
প্রথমে https://www.google.com/ এ যেয়ে টাইপ করুন Google Loco এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। তারপর দেখুন চাইনিজ জাতীয় কিসব লেখা এসেছে তাই না?
4. Loneliest Number
আগের মত https://www.google.com/ এ যেয়ে টাইপ করুন Loneliest Number এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। তারপর এখান থেকে আপনি গুগলকেই ক্যালকুলেটর হিসেবে ব্যাবহার করতে পারবেন।
5. Annoying Google
আগের মত https://www.google.com/ এ যেয়ে টাইপ করুন Annoying Google এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। এখানে আপনার মনে হবে যেন মান্দাতা আমলের কোন গুগলকে দেখতাসেন!
6. Google Hacker
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Google Hacker এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। গুগল যদি হ্যাকারদের তৈরি হত, তাহলে দেখতে কেমন লাগত আপনি তা এখানে দেখতে পাবেন।
7. Rainbow Google
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Rainbow Google এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। তারপর রংধনুময় গুগল দেখুন।
8. Google Magic
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Google Magic এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। তারপর গুগলের ম্যাজিক দেখুন।
9. Early Google
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Early Google এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। তারপর এখানে আপনি গুগলের পুরো ইতিহাস দেখতে পারবেন।
10. Google Mirror
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Google Mirror এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। এখানে সবকিছুকে আপনি উল্টা ভাবে দেখতে পাবেন।
11. Google Sphere
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Google Sphere এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। সবকিছু যেন প্রাণশক্তি ফিরে পেয়ে নড়াচড়া করছে।
12. Weenie Google
https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Weenie Google এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক করুন। Epic Google যা দেখছিলেন এটা তার উল্টা। সবকিছুই এখানে ছোট থেকে ছোটতর হতে থাকবে।
13. Google Guitar
সব শেষে দিলাম একটা জোস ট্রিকস! যাদের গিটার বাজানোর শখ আছে কিন্তু গিটার নাই তাদের জন্য এটা সান্ত্বনা হতে পারে! এটার জন্য আগের মত https://www.google.com/ এ যান এবং টাইপ করুন Google Guitar এবং পাশের I’m feeling Lucky অথবা ভাগ্যবান অনুভব করছি লেখাটায় ক্লিক মারুন। তারপর গুগল গিটার আসবে। তারপর আপনার ইচ্ছামত গিটার বাজান সাথে রেকর্ড করারও Option আছে।

খুদে বিজ্ঞানীদের নাম ঘোষণা করলো গুগল

গুগল আয়োজিত ‘গুগল সাইন্স ফেয়ার ২০১৩’ এর বিজয়ী ৪ খুদে বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে সেরা খুদে বিজ্ঞানীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। জানা গেছে, চলতি বছরের প্রতিযোগিতায় ১২০টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেয়। এবারের প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে পুরস্কার পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এরিক চেন (১৭)।

এছাড়া বয়সভিত্তিক ১৩-১৪ বছর বিভাগে বিজয়ী হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিনয় কুমার (১৪) এবং ১৫-১৬ বছর ক্যাটাগরিতে কানাডার আন মাকোসিনিস্কি (১৫)।

এদিকে ভোটারদের রায়ে পুরস্কার পেয়েছে তুরস্কের ইলিপ বিলজিন। এরিক চেনের প্রকল্পের বিষয় ছিল ‘কম্পিউটার-এইডেড ডিসকভারি অব নোবেল ইনফ্লুয়েঞ্জা এনডোনিউক্লিয়াস ইনহেবিটরস অব কমব্যাট ফ্লু পেনডেমিক’।


কীভাবে কম্পিউটার মডেলিং এবং জীববিজ্ঞানের পদ্ধতি ব্যবহার করে ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রতিরোধী ওষুধ তৈরি করা যায়, সে বিষয়টিই এতে তুলে ধরা হয়।কীভাবে ব্যাটারি ছাড়াই আলো পাওয়া সম্ভব, সে বিষয় নিয়ে প্রকল্প ছিল আন মাকোসিনিস্কির ‘দ্য হলো ফ্ল্যাশলাইট’।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রমকে সহজ করতে গাড়িচালকদের জন্য বিশেষ পদ্ধতি তৈরি করে বিনয় কুমারের ‘পুলিশ অ্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স রেগুলেটিং ট্রাফিক প্রোগ্রাম (পিএআরটি)’ প্রকল্প জিতেছে পুরস্কার।

বদলে গেলো গুগল বাংলাদেশের ইন্টারফেস!

আপনি কি জানেন বাংলাদেশে গুগলের একজন রিপ্রেজেন্টেটিভ রয়েছেন? নিশ্চয়ই জানেন।
গত বছরের ৫ নভেম্বর সোমবার গুগলে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন গ্রামীণফোনের সাবেক প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা কাজী মনিরুল কবির। বাংলাদেশের ‘কান্ট্রি কনসালট্যান্ট’ পদে গুগলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন তিনি। তবে আপাতত ঢাকায় অফিস স্থাপন করছে না গুগল। গুগলের সিঙ্গাপুর অফিস থেকেই বাংলাদেশের সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বর্তমানে বিশ্বেরে ৪৯টি দেশে গুগল তার কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেছে। এসব দেশে গুগল বিভিন্ন বাণিজ্যিক সেবা দেওয়ার পাশাপাশি নিজস্ব মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম (অ্যান্ড্রয়েড), স্মার্টফোন সম্পর্কিত বিভিন্ন সেবা সরাসরি দিয়ে থাকে।


Symphony Xplorer W140


1Operating System : 4.2.1 Jelly Bean
Camera  :  8 Megapixels, Video Yes
Front Camera ; 1.2 Megapixels
Camera Features ; Flashlight
Network ; GSM 850, GSM 900, GSM 1800, GSM 1900
Wi-Fi ; Wi-Fi 802.11, Wi-Fi Hotspot
Processor ; 1.2 GHz (Quad Core)
GPU ; PowerVR SGX 544 MP
FM Radio ; Yes
Audio Player ; MP3, AMR, AAC, AAC+
Video Player ; mp4, 3gp, H.264, 720P
Video recording formats ; Yes, 3gp, 720P
Display ; 5 inches, IPS HD Capacitive Full Touch
Display resolution ; HD, 1280 x 720 pixels
Display technology ; Multi Touch (5 finger)
Maximum memory card ; Extendable up to 32 GB
Internal Memory ; 4 GB (User Available ROM 1008 MB)
Memory card type ; Micro SD
RAM ; 1GB (User Available RAM 990 MB)
Game features ; Yes, Android Games
Bluetooth ; Yes
USB ; Yes
GPRS ;Yes
EDGE ; Yes
3G ; Yes
GPS ; Yes
Ear Jack ; Yes
Battery ; 2100 mAh Li-ion
Browser ; Yes, Android
Sensors ; GPS, Proximity & Accelerometer sensor, Light & G-Sensor
Stand by time ; Up to 400 Hours
Talk time ; Up to 6 Hours
Dimension ; 70.8 x 143.5 x 8.8 mm
Phonebook ; Unlimited
More Features ; Angry Birds, Highway rider, Facebook, You tube, Android Market(Play Store), Temple run, Gmail, Skype, Office suite, Dictionary

Price : 14,490 Tk

গ্রামীণফোন বনাম টেলিটক (৫১২ কেবিপিএস গতি)

গ্রামীণফোন: ১ গিগাবাইট ৪০০ টাকা, মেয়াদ ১৫ দিন
টেলিটক: ১ গিগাবাইট ২০০ টাকা, মেয়াদ ১০ দিন

গ্রামীণফোন: ১ গিগাবাইট ৪৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন
টেলিটক: ১ গিগাবাইট ৩০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন

গ্রামীণফোন: ২ গিগাবাইট ৬৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন
টেলিটক: ২ গিগাবাইট ৫০০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন

গ্রামীণফোন: ৫ গিগাবাইট ৯৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন
টেলিটক: ৫ গিগাবাইট ৭৫০ টাকা, মেয়াদ ৩০ দিন

কম্পিটার রিলেটেড কিছু শব্দের অর্থ।

ASCCII: আমেরিকান স্টান্ডার্ড কোড ফর ইনফরমেশান ইন্টারচেঞ্জ হচ্ছে মাইক্রো বা পারসোনাল কম্পিঊটারের জন্য বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কোড। A এর আসকি কোড ৬৫ এবং a এর আসকি কোড ৯৭।
AGP: কম্পিঊটারের মনিটরে ছবি দেখার জন্য এক্সিলারেটেড গ্রাফিক্স পোর্ট কার্ড লাগাতে হত। বর্তমানে এটি মাদারবোর্ডের সাথে বিল্ট ইন অবস্থায় থাকে।
ADSL: এসিমেট্রিক ডিজিটাল সাবস্কাইপার লাইন এ ভয়েস এবং ডেটাকে খুব সহজে আলাদা করা যায়। এডিএসএল সর্বোচ্চ ৮ মেগাবাইট পার সেকেন্ড গতিতে ডাউনলোড করতে পারে। ডাউনলোডের তুলনায় আপলোড স্পিড কিছুটা কম থাকায় একে এসিমেট্রিক বা অসম বলা হয়।
ALU: আরিদমেটিক লজিক ইউনিট হলো সিপিইউ এর যৌক্তিক অংশ যা যাবতীয় তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে থাকে।
ASSEMBLER: এসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে যান্ত্রিক ভাষায় রুপান্তর কাজে ব্যবহৃত অনুবাদক প্রোগ্রামকে বলা হয় এসেম্বলার। মাইক্রোসফট এসেম্বলার একটি এসেম্বলার।
ACCUMULATOR: যে কোন কম্পিউটার রান করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ফলাফল ধারন করার জন্য যে বাফার রেজিস্টার ব্যবহার করা হয় তাকে একুমুলেটর বলা হয়।
ARPANET: এডভান্স রিসার্স প্রজেক্ট এডমিনিস্ট্রেশন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে প্রথম ইন্টারনেটের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলসের ইউসিএলএ ল্যাবরেটরীতে প্রথম আরপানেটের মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় কম্পিউটার যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়।
AND GATE: যে গেটে একাধিক ইনপুট কিন্তু একটিমাত্র আউটপুট থাকে তাকে এন্ডগেট বলে।
APPLET: বড় কোন এপ্লিকেশনের ক্ষুদ্রতম রূপকে বলা হয় এপলেট বলা হয়।
ARRAY: একই ধরণের তথ্য বা উপাত্তের সমাবেশকে বলা হয় এরে।
ARCnet: ছোটখাট নেটওয়ার্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে এটাচড রিসোর্স কম্পিউটার নেটওয়ার্ক নামের বিশেষ পদ্ধতির এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। এতে কোলাক্সিয়াল ক্যাবল, টুইস্টেট পেস্ট এবং অপটিক ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
ARF: এলার্ম রিপোর্টিং ফাংশান । এটি সাধারনত এস আই নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্টের অকার্যকরী অবস্থার কারণ, ত্রুটিসমূহ এবং অন্যান্য সমস্যার
ARPA: যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ইন্টারনেটের উন্নয়নের জন্য এডভান্স রিসার্স প্রোজেক্ট এজেন্সি চালু করে। এই এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় আরপানেট তৈরী হয়।
ARQ: ইন্টারনেট যোগাযোগের ক্ষেত্রে অটোমেটিক রিপিট ইউনিট নিয়ন্ত্রণ সংকেতরূপে ব্যবহৃত হয়।
ARM ACCESS: হার্ডডিস্কের ট্রাকসমূহের তথ্যসমূহ লেখা ও পড়ার জন্য যে দন্ডের সাথে হেড সংযুক্ত করা থাকে তাকে আর্ম একসেস বলে।
ASSENDING: কম্পিউটারের ডেটাগুলোকে বিভিন্ন ভাবে সাজিয়ে রাখা যায়। ছোট থেকে বড় ক্রমে ফাইল সাজানোর পদ্ধতিকে বলা এসেন্ডিং। এর বিপরীত হলো ডিসেন্ডিং।