Showing posts with label Freelancing. Show all posts
Showing posts with label Freelancing. Show all posts

Sunday, October 6, 2013

একজন সফল ব্লগার হতে হলে কি কি বিষয় সম্পর্কে বিবেচনা করতে হয় ।

অনলাইনে কোটি কোটি ওয়েব সাইট আছে যেগুলো প্রোডাক্ট বিক্রি বা এফিলিয়েট মার্কেটিং বা অ্যাড থেকে বিভিন্ন ভাবে আয় করে চলেছে এবং এগুলো প্রতিটিই ভিজিটরের জন্য প্রতিযোগিতা করে চলেছে । আবার কেউ কেউ একই ভিজিটরের জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত । এত প্রতিযোগিতার ভিতর কাঙ্খিত ফলাফল কি করে পাওয়া যাবে ? এই প্রশ্নের জবাবে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাক্তি বলেছিল যে তাদের ওয়েব সাইট আছে । যদিও ওয়েবসাইট থাকা আর মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট থেকে আয় করা সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস । একটি ওয়েবসাইট হল কতকগুলো ডকুমেন্ট, ছবি এবং ইলেক্ট্রনিক্স ফাইলের সমাহার যা সাধারণের ব্যাবহারের জন্য । আর ইন্টারনেট মার্কেটিং করে ওয়েবসাইট এর পাঠক সংখ্যা বাড়াতে হয় । আর আমরা জানি যত বেশি ভিসিটর তত বেশি আয় । ব্লগ থেকে আয় করার পূর্বে মানে যখন আপনি ব্লজ্ঞিং শুরু করতে যাচ্ছেন তিনটি জিনিস মাথায় রেখে ব্লগিং শুরু করতে হয় .........
ক) ভিসিটরদের ব্লগের প্রতি আকর্ষণ বাড়ানো ।
খ) তাদেরকে উৎসাহিত করা প্রোডাক্ট কিনতে, যদি আপনি ব্লগিং এর সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান ।
ঘ) ভিসিটর যাতে ব্লগে আবার ফিরে আসে সেই ব্যাবস্থা করা ।
একটা ব্লগ থাকা খুবই ভালো কথা কিন্তু এটা অর্থহীন যদি কেউ সেই ব্লগ সম্পর্কে না জানে বা সেই ব্লগের কোন পাঠক না থাকে । এখানে আমি ব্লগিং এর শুরুটা কিভাবে করা যেতে পারে সেটা নিয়ে একটু বলবো । আসলে এত এত জিনিস নিয়ে চিন্তা করতে হয় যেটা লিখে ফেললে ১০০ পেজের একটা বই হয়ে যাবে । যা হোক আমরা মেইন জিনিসগুলো নিয়ে একটু ঘাঁটি । ব্লগ করার সময় তিনটে জিনিস মনে রাখতে হয় –
১। ব্লগের উদ্দেশ্য কি
২। টার্গেট মার্কেটের চাহিদা
৩। প্রোডাক্ট
সুতারাং উদ্দেশ্য, টার্গেট মার্কেট এবং প্রোডাক্ট – এই তিনটে জিনিসকে আবর্ত করেই ব্লগিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং । উপরের তিনটে জিনিসকে সঠিকভাবে নির্বাচন করতে পারলে ব্লগ থেকে আয়ের পরিমান বেড়ে যায় ।
উদ্দেশ্যঃ
ব্লগ বানানোর পূর্বে অবশ্যই ব্লগের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে ।নিজের কাছে নিজে ব্লগের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করুন “আমার ......ব্লগের উদ্দেশ্য কি?” নিজে ব্লগের Objective নির্ধারণ করে তারপর অন্যদের প্রশ্ন করুন । ফেসবুকে ও প্রশ্ন করুন । মাথা ঘামিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টিকোণ দিয়ে ব্লগকে পর্যবেক্ষণ করুন । কোন শ্রেণীর মানুষদের উপকার হবে এই ব্লগ থেকে, ব্লগের সুফল ও কুফল খুঁজুন । কি উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার ব্লগটি যাত্রা শুরু করবে ? এটা কি শুধু মাত্র শখেরবশে নাকি মানুষের উপকারের জন্য নাকি শুধু টাকা আয় করার জন্য ? কক্ষনো টাকা আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগি করবেন না, আপনার চিন্তা থাকবে শুধু মানুষের উপকার করা, তাহলেই আপনার টাকা উপার্জন হবে । যা হোক কয়েকটি সাধারণ উদ্দেশ্য হল –
১। প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বিক্রি
২। প্রোডাক্ট বিজ্ঞাপন করা
৩। অ্যাড থেকে আয়
উপরে আমরা শুধু প্রাথমিক উদ্দেশ্য নির্ধারণ করেছি এবং এবার দ্বিতীয় দফায় কিছু জিনিস বিবেচনা করবো এবং একটা ব্লগ থেকে ভালো মানের আয় করার জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।
১। ব্লগ এস, ই, ও এর উপযোগী করে ডিজাইন এবং ডেভেলপ করতে হবে
২। ব্লগে ভাইরাল মার্কেটিং এলিমেন্ট থাকবে, যেমন ধরুন, অনেক বড় এবং খুবই উপকারী কয়েকটি পোস্ট ।
৩। ব্লগের বিষয়বস্তু গুলোকে ভিসিটরের চোখের সামনে রাখতে হবে যেন পাঠককে কোন বিষয় খুঁজতে কষ্ট করতে না হয় কারন অনলাইন পাঠক খুবই অলস ।
টার্গেট মার্কেট বা পাঠক নির্বাচনঃ
ব্লগটা পাঠকের উপর নির্ভর করে সাজাতে হবে কারণ বিভিন্ন পাঠকের রুচি বিভিন্ন । পাঠকের রুচি, বয়স, পুরুষ বা মহিলা বা উভয়ই যে কোন একটা ধরনের পাঠক নির্বাচন করতে হবে, এতে করে ব্লগ মার্কেটিং করতে সুবিধা হবে এবং আয় ও বাড়বে । যেমন ধরুন – আপনি “স্কিন ভালো রাখার মেডিসিন” নিয়ে আপনার ব্লগ লিখবেন তাহলে আপনার টার্গেট পাঠক থাকবে মহিলারা, তবে এক্ষেত্রে ৩৫+ মহিলারা থাকবে আপনার টার্গেট ভিসিটর কেননা ৩৫ বছর এর পর স্কিনে একটু সমস্যা দেখা দেয় । তবে ব্লগিং করার সময় পাঠকের –
১। চাহিদা
২। প্রয়োজনীয়তা
৩। এক্সপেক্টটেশন
বুঝে ব্লগে লিখতে হবে । পাঠক যেন ব্লগ পড়ে মুগ্ধ হয়ে যায়, আর মানুষ ভালো কিছু অন্য মানুষকে জানাতে চায় আর এই ভাবে ভালো বিষয় সোশ্যাল সাইট এ ভাইরাল হয়ে যায় মানে সবার মুখে মুখে থাকে ।
প্রোডাক্ট বা সার্ভিসঃ
ব্লগের বিসয়বস্তুর উপর নির্ভর করে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রোমট করা যেতে পারে । যেমন –
১। বই
২। যদি ট্রাভেল ব্লগার হলে হোটেল, এয়ার লাইন
৩। টেকনোলজি ব্লগাররা গ্যাজেট
৪। সফটওয়্যার ব্লগাররা সফটওয়্যার
ইত্যাদি ।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশান (SEO) কেন শিখবেন?

এই পোস্টটি মূলত ওয়েব ডেভলপার বা ওয়েবসাইট এর মালিকদের জন্য করা হলেও যারা ফ্রিল্যান্সিং-এ আগ্রহী তারাও এই পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন যে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিষয় এর মধ্যে এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ন আর কেন সকল ক্ষেত্রেই এসইও-এর অন্তত প্রাথমিক ধারনা থাকা প্রয়োজন। অনেক ওয়েবসাইটের মালিকেরা তাদের সময় স্বল্পতার কারনে তাদের সাইটের এসইও অন্য কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে করিয়ে নেন। ফলে নিজে এসইও অজানা থাকায় নানা সমস্যায় পড়তে হয়। যদি একান্তই আপনার সময়ের অভাব থাকে তাহলে এসইওর সবকিছু না জানলেও এসইও কিভাবে কাজ করে, কিভাবে করা হয়, এসইও করার সঠিক উপায় গুলো কি ইত্যাদি সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা থাকা উচিত। আসুন দেখে নেওয়া যাক কেন আপনার এসইও শেখা প্রয়োজনীয়।

এসইও কোয়ালিটিতে ঠকতে হয় না

ধরি, আপনি টাকা দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট এর এসইও করিয়ে নিচ্ছেন কিন্তু যার কাছ থেকে এসইও করিয়ে নিচ্ছেন সে সঠিকভাবে এসইও করছে কিনা তা কিভাবে বুঝবেন? কিছু ট্রিক আছে যার মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট কিছু সময়ের জন্য হয়তো সার্চ ইন্জিন এর কাছে জনপ্রিয় হতে পারে কিন্তু কিছুদিন পরই হয়তো আপনার র্যাং ক কমে যাবে সেই ভুল ট্রিক এর জন্য। তাই সঠিকভাবে এসইও করার সম্পর্কে যদি আপনার ধারনা থাকে তাহলে সেই এসইও-র কাজগুলো দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন যে কাজগুলো সঠিকভাবে করা হচ্ছে কি-না। তাই খারাপ কোয়ালিটির এসইও সার্ভিস এর হাত থেকে বাচতে আপনাকে অবশ্যই এসইও এর প্রাথমিক ধারনা রাখতে হবে।

আপনার ও এসইও প্রোভাইডার এর মধ্যে ভালো যোগাযোগ হবে

আপনি যদি এসইও একেবারেই না জানেন তাহলে কাজটি কিভাবে সম্পন্ন হবে তা নি যে এসইও প্রোভাইডারএর সাথে আলোচনায় আপনার কাছে অনেক কিছুই দুর্বোদ্ধ মনে হতে পারে। এসইও মোটামুটি শিখতে পারলে এই সমস্যাটি আর থাকবে না। আপনি আপনার চাহিদার কথা প্রেভাইডারকে যেমন সহজই বলতে পারবেন তেমনি এসইও প্রভাইডারের পক্ষেও তার কাজের অবস্থান আপনাকে সহজেই বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। যেমন: একজন যতই এসইও এক্সপার্ট হোন না কেন এসইও তে সফলতা পেতে কিছু সময় লাগতে পারে কিন্তু আপনি যদি এই বিষয়টি না জানেন তাহলে বেশি সময় লাগাটাকে তার ব্যার্থতা হিসেবে ধরে নিয়ে তার কাজের কোয়ালিটি সম্পর্কে খারাপ ধারনা পোষন করবেন। কিন্তু এই সময় লাগাটা একটি সাধারন ব্যাপার তা যদি আপনি আগে থেকেই জানতেন তাহলে এই ভুল বোঝাবুঝি হতো না।

আপনার ওয়েবসাইটএর আরও উন্নতি করতে পারবেন

কিছু কিছু ওয়েবসাইট-এর জন্য ফুল টাইম এসইও এক্সপার্ট নিয়োগ দেওয়া থাকে কিন্তু সব সাইটের ক্ষত্রে তা সম্ভব না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাইটের এসইও করার কাজ শেষ হওয়ার পর আপনার আর কিছুই করার থাকে না। কিন্তু আপনি যদি এসইওর নিয়ম কানুন জানেন তাহলে আপনার সাইটটি আপডেট করার সময় সাধারন পরিবর্তনগুলো আপনি নিজেই সেরে নিতে পারেন কোনো ঝামেলা ছাড়াই। এতে আপনার সাইটটি আপনার মনের মতো করতে পারবেন ও কিছু অতিরিক্ত খরচও কমে যাবে।

ওয়েব ডেভলপিংএ-ও সাহায্য করবে

আপনি যদি আপনার নিজের সাইট নিজেই ডিজাইন করতে চান তাহলে সেক্ষেত্রেও এসইও আপনাকে অনেক সাহায্য করবে। এসইওর নিয়ম অনুযায়ী আপনি আপনার ডিজাইন ও কোডগুলো সুবিন্যস্তভাবে সাজাতে পারলে তা সার্চ ইন্জিনের কাছেও অনেক ভালো সাইট হিসেবেই গন্য হবে। আর আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্স ওয়েব ডেভলপার হয়ে থাকেন তাহলেও এসইও আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার বিস্তারে সাহায্য করবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি আপনার সফলতার সম্ভাবনাও তত বেড়ে যাবে।

১১ টি প্রশ্ন, যা আপনাকে আপনার ব্লগের পাঠক বা ভিসিটর খুঁজতে সাহায্য করবে

আপনি ব্লগিং শুরু করেছেন এবং আপনি ব্লগ থেকে টাকা আয় করতে চান অথবা আপনার অন্য কোন উদ্দেশ্য আছে তবে এই ব্লগ আপনার জন্য । এখানে ব্লগিং থেকে আয় করার শীর্ষ উপায় গুলো পোষ্ট করা আছে । একটা সফল ব্লগ তৈরি করতে গেলে দরকার ২ টি জিনিস,
১. ভালো ভালো লেখা ব্লগে পোষ্ট করা, অবশ্যই কপি-পেস্ট হবে না ।
২. ব্লগের জন্য ভালো পাঠক (ভিসিটর )

এই ২ টি জিনিস করতে পারলে ব্লগ থেকে মাসে কয়েক লক্ষ টাকা আয় করা কোন ব্যাপারই না ।

আপনার পাঠককে জানুন
পাঠককে সাহায্য করার আগে আপনার জানা দরকার, আপনার পাঠক কারা ! আপনাকে খুব ভালোভাবে আপনার পাঠককে বুজতে হবে, রিসার্চ এবং প্লান করে এবং ব্লগ শুরু করার পর তাদের সাথে কথা বলে আপনি আরও শিওর (নিশ্চিত) হয়ে নিন যে আপনার প্লান এবং রিসার্চ সঠিক আছে এবং আপনি সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছেন ।
আপনার ব্লগের পাঠক কে ভালো করে জানতে নিচের প্রশ্ন গুলো করুন ...
১. তারা কি বিশ্বাস করে ?
২. তারা কোথায় বাস করে ?
৩. তারা কি শিখে / কোথা থেকে শেখে ?
৪. তারা কোথায় যেতে চায় (তাদের কাজের মধ্য দিয়ে) ?
৫. তাদের প্রয়োজনীয়তা কিসের ?
৬. তাদের বয়স কত ?
৭. তারা কিসে আনন্দ পায় ?
৮. তারা কিসে কষ্ট পায় ?
৯. তারা কি ঘৃণা করে ?
১০. তারা কতটা কঞ্জারভেটিভ ?
১১. তারা কি চায় ?

ফ্রিল্যান্সিং এবং ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার বিষয়ক

বর্তমান যুগের সবচেয়ে আলোচিত পেশাটির নাম ফ্রিল্যান্সিং। চাকরি জীবনের বন্ধনী থেকে আধুনিক তরুণ সমাজ মুক্তি চায়। তাই অনলাইনে তারা গড়ে নিচ্ছে নিজেদের ক্যারিয়ার। ‘ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার’ বর্তমান সময়ে তরুণদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। দেশেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পুরোপুরি বদলেছেন অনেকেই ৷ এই তো ক’বছর আগেও আমাদের দেশের তরুণদের খুঁজেই পাওয়া যেত না আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে। কিন্তু গত তিন বছরে ওডেস্কে বাংলাদেশ রয়েছে শীর্ষ তিনে। নিজ ঘরে বসে কাজ করছে বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। আর স্বাভাবিকভাবেই তাদের আয়ের পরিমাণটাও বেশি। কারণ ঐসব দেশে শ্রমের বিনিময় মূল্য আমাদের দেশ থেকে কয়েক গুণ বেশি। একই দক্ষতা নিয়ে দেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে যে বেতন পেতো, বাইরে কাজ করার কারণে হয়তো এর ১০ গুণ পর্যন্ত পাচ্ছে। কাজের সময়, সিডিউল নিজের মতো করে পরিবর্তন করে নিচ্ছে। মানতে হচ্ছে না, সকাল-সন্ধ্যা বাধ্যতামূলক অফিস টাইম, ড্রেস কোড। শুনতে হচ্ছে না বসের বকা-ঝকা।
এই বছর ওডেস্ক থেকে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা আয় করেছেন ১২ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর নভেম্বর মাসেই সফটওয়্যার, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং আইটি বিভাগে ১ হাজার ৮০০ বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা ৫৭ হাজার ঘন্টা কাজ করেছেন! তাছাড়া, বর্তমানে বাংলাদেশে ইল্যান্সেই নিবন্ধিত রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ফ্রিল্যান্সার।
২০১২ তে ইল্যান্স.কম-এ প্রায় ১১ হাজার কাজে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা নিয়োগ পেয়েছেন, যা তার আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এ পর্যন্ত ইল্যান্স থেকে বাংলাদেশে আয় ৫.৬ মিলিয়ন ডলার (গত ৭ মাসেই এসেছে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন)। এটি সত্যিই আশা ব্যঞ্জক আর বিশাল এ সংখ্যার জন্য ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতেও বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের বেশ ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখে অনেক তরুণ বেশ আগেই কাজ শুরু করেছিলো। তাদের মধ্যে অনেক আজ সফল ফিল্যান্সার। বাংলাদেশে সফল ফিল্যান্সারের সংখ্যা একেবারে কম নয়। যারা শুধু সফলতার সাথে মার্কেটপ্লেসে কাজই করেনি বরং কুড়িয়ে এনেছে দেশের সম্মান। তাদের আহবানেই বিশ্বের নামকরা মার্কেটপ্লেস Odesk.com এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ম্যাট কুপার দু-দুবার বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন। শুধু তাই নয়, আরও এসেছে Freelancer.com, elance.com, 99design.com এর প্রতিনিধিরাও।
গণমাধ্যম সহ নানা জায়গায় ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা শুনে অনেকেরই আগ্রহ তৈরি হচ্ছে মুক্ত পেশাদার হিসাবে ক্যারিয়ার গড়তে।